ঢাকা, ১০ জানুয়ারি ২০২৬ | Jabara News 24 বিশেষ প্রতিবেদকদেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি ও উপাসনালয়ে হামলার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সহিংসতার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নতুন করে আরও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের শনাক্ত করতে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযানপুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সহিংসতার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন থানায় এ পর্যন্ত একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে।নতুন গ্রেপ্তার: গত রাত থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও চট্টগ্রামসহ কয়েকটি জেলা থেকে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আটক করা হয়েছে।শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া: সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধীদের শনাক্ত করা হচ্ছে। জড়িতরা যে দলের বা মতেরই হোক না কেন, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে প্রশাসন।উপদ্রুত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাসহিংসতা প্রবণ এলাকাগুলোতে নতুন করে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি বেশ কিছু স্পর্শকাতর স্থানে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।টহল জোরদার: বিশেষ করে রাতে ও ভোরে মন্দির এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত পাড়াগুলোতে নিয়মিত টহল দিচ্ছে যৌথ বাহিনী।আস্থার সংকট দূর: জেলা প্রশাসকরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করছেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে সাহস জোগাতে শান্তি সমাবেশের আয়োজন করছেন।প্রশাসনের হুঁশিয়ারিপুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাবারা নিউজ ২৪-কে জানান, “যারা পর্দার আড়ালে থেকে গুজব ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে উসকে দিচ্ছে, তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাইবার ইউনিটগুলো ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।” তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া ও শান্তি কমিটিসহিংসতা কবলিত এলাকার সাধারণ মানুষ এই গণগ্রেপ্তারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তারা দ্রুত বিচারের দাবি তুলেছেন। অনেক এলাকায় স্থানীয় যুবক ও মুরুব্বিদের নিয়ে ‘সম্প্রীতি কমিটি’ গঠন করা হয়েছে, যারা নিজ উদ্যোগে পাড়া-মহল্লায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন।মানবাধিকার কর্মীদের বক্তব্যমানবাধিকার সংগঠনগুলো গ্রেপ্তারের বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও তারা জোর দিচ্ছেন স্বচ্ছ তদন্তের ওপর। তাদের মতে, প্রকৃত দোষীরা যাতে শাস্তির আওতায় আসে এবং নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।গুজব প্রতিরোধের ডাকপ্রশাসনের পক্ষ থেকে আবারও অনুরোধ করা হয়েছে, কেউ যেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানিমূলক কোনো ছবি বা ভিডিও দেখে বিভ্রান্ত না হন। যেকোনো সন্দেহজনক গতিবিধি দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।উপসংহারসংখ্যালঘু নাগরিকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, দীর্ঘমেয়াদী শান্তির জন্য সামাজিক ঐক্যের বিকল্প নেই। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই পারে এই অস্থিরতা চিরতরে বন্ধ করতে। Jabara News 24 এই অভিযানের প্রতিটি খবরের ওপর কড়া নজর রাখছে।
ঢাকা, ৮ জানুয়ারি ২০২৬ | Jabara News 24 বিশেষ প্রতিবেদক
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ ও প্রাণহানির ঘটনায় জনমনে তীব্র উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে। বিচ্ছিন্নভাবে ঘটা এসব সহিংসতায় দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মানবাধিকার সংগঠনগুলো দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে। সহিংসতার বর্তমান চিত্র দেশের একাধিক জেলা থেকে গত কয়েক দিনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর পরিকল্পিত ও বিচ্ছিন্ন হামলার খবর পাওয়া গেছে। অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর: রাতের আঁধারে বসতবাড়িতে আগুন দেওয়া এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার। প্রাণহানি ও জখম: কোথাও কোথাও শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি হত্যার মতো নৃশংস ঘটনাও ঘটেছে, যা সামাজিক স্থিতিশীলতাকে চরমভাবে বিঘ্নিত করছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সতর্কতা দেশের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংস্থাগুলো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই ধরনের সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় এবং বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে দুষ্কৃতকারীরা বারবার সুযোগ পাচ্ছে। অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। সহিংসতার শিকার উল্লেখযোগ্য এলাকা তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে এমন ১০টি জেলা হলো: ঠাকুরগাঁও দিনাজপুর পিরোজপুর বাগেরহাট যশোর চট্টগ্রাম পটুয়াখালী সিরাজগঞ্জ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাতক্ষীরা জনমনে আতঙ্ক ও স্থবিরতা সহিংসতার প্রভাবে উপদ্রুত এলাকাগুলোতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। বাগেরহাটের এক ভুক্তভোগী জানান, “সব হারিয়ে আমরা এখন দিশেহারা। নিজের জন্মভূমিতে পরবাসী হওয়ার মতো ভয় আমাদের ঘিরে ধরেছে।” দিনাজপুরের এক ব্যবসায়ী বলেন, “লুটপাটের ভয়ে দোকান খুলতে পারছি না। আমাদের দীর্ঘদিনের সম্প্রীতি আজ নষ্ট হওয়ার পথে।” প্রশাসনের কঠোর বার্তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রদায়িক উসকানিদাতাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, “যেকোনো মূল্যে সামাজিক শান্তি বজায় রাখা হবে। অপরাধী যে দলের বা যে ধর্মেরই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।” ইতিমধ্যে বেশ কিছু জায়গায় বিজিবি ও পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গুজব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্য বা গুজব অনেক ক্ষেত্রে আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ছে। প্রশাসন থেকে সাধারণ মানুষকে যেকোনো তথ্য যাচাই না করে প্রতিক্রিয়া না দেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞ মতামত সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, সামাজিক অস্থিরতা মোকাবিলায় কেবল প্রশাসনিক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। স্থানীয় পর্যায়ে সকল ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে শান্তি কমিটি গঠন এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সৌহার্দ্য ফিরিয়ে আনা জরুরি। জরুরি নিরাপত্তা টিপস সংকটকালীন সময়ে নিরাপত্তার স্বার্থে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে: প্রশাসনকে জানানো: যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির আভাস পেলে তাৎক্ষণিক স্থানীয় থানা বা ৯৯৯ নম্বরে কল করুন। গুজব এড়িয়ে চলা: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উসকানিমূলক খবরে কান দেবেন না। একতাবদ্ধ থাকা: পাড়া বা এলাকায় সর্বধর্মীয় সম্প্রীতি কমিটি গঠন করে পাহারা জোরদার করুন। উপসংহার সংখ্যালঘু নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। Jabara News 24-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই পারে সাধারণ মানুষের মনে ভরসা ফিরিয়ে আনতে। আমরা প্রত্যাশা করি, সব ভেদাভেদ ভুলে দেশ আবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পথে ফিরবে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ ও প্রাণহানির ঘটনায় জনমনে তীব্র উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে। বিচ্ছিন্নভাবে ঘটা এসব সহিংসতায় দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি হুমকির মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মানবাধিকার সংগঠনগুলো দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছে। সহিংসতার বর্তমান চিত্র দেশের একাধিক জেলা থেকে গত কয়েক দিনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর পরিকল্পিত ও বিচ্ছিন্ন হামলার খবর পাওয়া গেছে। অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর: রাতের আঁধারে বসতবাড়িতে আগুন দেওয়া এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাটের ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার। প্রাণহানি ও জখম: কোথাও কোথাও শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি হত্যার মতো নৃশংস ঘটনাও ঘটেছে, যা সামাজিক স্থিতিশীলতাকে চরমভাবে বিঘ্নিত করছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সতর্কতা দেশের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংস্থাগুলো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই ধরনের সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় এবং বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে দুষ্কৃতকারীরা বারবার সুযোগ পাচ্ছে। অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। সহিংসতার শিকার উল্লেখযোগ্য এলাকা তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে এমন ১০টি জেলা হলো: ঠাকুরগাঁও দিনাজপুর পিরোজপুর বাগেরহাট যশোর চট্টগ্রাম পটুয়াখালী সিরাজগঞ্জ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাতক্ষীরা জনমনে আতঙ্ক ও স্থবিরতা সহিংসতার প্রভাবে উপদ্রুত এলাকাগুলোতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। বাগেরহাটের এক ভুক্তভোগী জানান, “সব হারিয়ে আমরা এখন দিশেহারা। নিজের জন্মভূমিতে পরবাসী হওয়ার মতো ভয় আমাদের ঘিরে ধরেছে।” দিনাজপুরের এক ব্যবসায়ী বলেন, “লুটপাটের ভয়ে দোকান খুলতে পারছি না। আমাদের দীর্ঘদিনের সম্প্রীতি আজ নষ্ট হওয়ার পথে।” প্রশাসনের কঠোর বার্তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রদায়িক উসকানিদাতাদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, “যেকোনো মূল্যে সামাজিক শান্তি বজায় রাখা হবে। অপরাধী যে দলের বা যে ধর্মেরই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।” ইতিমধ্যে বেশ কিছু জায়গায় বিজিবি ও পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। গুজব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্য বা গুজব অনেক ক্ষেত্রে আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ছে। প্রশাসন থেকে সাধারণ মানুষকে যেকোনো তথ্য যাচাই না করে প্রতিক্রিয়া না দেখানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞ মতামত সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, সামাজিক অস্থিরতা মোকাবিলায় কেবল প্রশাসনিক ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। স্থানীয় পর্যায়ে সকল ধর্মের মানুষের অংশগ্রহণে শান্তি কমিটি গঠন এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সৌহার্দ্য ফিরিয়ে আনা জরুরি। জরুরি নিরাপত্তা টিপস সংকটকালীন সময়ে নিরাপত্তার স্বার্থে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে: প্রশাসনকে জানানো: যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির আভাস পেলে তাৎক্ষণিক স্থানীয় থানা বা ৯৯৯ নম্বরে কল করুন। গুজব এড়িয়ে চলা: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উসকানিমূলক খবরে কান দেবেন না। একতাবদ্ধ থাকা: পাড়া বা এলাকায় সর্বধর্মীয় সম্প্রীতি কমিটি গঠন করে পাহারা জোরদার করুন। উপসংহার সংখ্যালঘু নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। Jabara News 24-এর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই পারে সাধারণ মানুষের মনে ভরসা ফিরিয়ে আনতে। আমরা প্রত্যাশা করি, সব ভেদাভেদ ভুলে দেশ আবার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পথে ফিরবে।