Tag Archives: #ব্রেকিংনিউজ

বাংলাদেশ–ICC উত্তেজনা চরমে: নিরাপত্তা পরিকল্পনা অগ্রগতি

ঢাকা, ১০ জানুয়ারি ২০২৬ | Jabara News 24 বিশেষ প্রতিবেদকআইসিসি (ICC) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (BCB) মধ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে বড় ধরণের অগ্রগতি হয়েছে। দেশে আসন্ন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে আইসিসির উদ্বেগের প্রেক্ষিতে বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও প্রমাণাদি জমা দিয়েছে বিসিবি। বাংলাদেশের মাটিতে খেলা আয়োজন নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তা দূর হবে বলে আশা করছেন ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা।আইসিসির উদ্বেগ ও বিসিবির জবাবসম্প্রতি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে আইসিসি বাংলাদেশে নির্ধারিত টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। আইসিসির পক্ষ থেকে একটি নিরাপত্তা প্রতিবেদন চাওয়া হলে বিসিবি সরকারের উচ্চপর্যায়ের সাথে সমন্বয় করে পূর্ণাঙ্গ একটি নিরাপত্তা ‘ডসিয়ার’ বা প্রমাণপত্র জমা দেয়।নিরাপত্তা প্রতিবেদনে যা আছেবিসিবি সূত্রে জানা গেছে, আইসিসিকে দেওয়া প্রতিবেদনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে:ভিভিআইপি প্রোটোকল: খেলোয়াড়দের হোটেল থেকে স্টেডিয়াম পর্যন্ত যাতায়াতে ভিভিআইপি পর্যায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।যৌথ বাহিনীর টহল: স্টেডিয়াম ও সংলগ্ন এলাকায় পুলিশ, র‍্যাব এবং প্রয়োজনে বিশেষায়িত বাহিনীর নজরদারি রাখা।নিরাপদ ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়াম ও জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের চারপাশের নিরাপত্তা বেষ্টনী ও সিসিটিভি কাভারেজের প্রমাণাদি।অতীত অভিজ্ঞতা: এর আগে সফলভাবে বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের রেকর্ড ও বিদেশি দলগুলোর সন্তুষ্টির রিপোর্ট।ক্রিকেট বোর্ডের বক্তব্যবিসিবির একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাবারা নিউজ ২৪-কে জানান, “আমরা আইসিসিকে আশ্বস্ত করেছি যে বাংলাদেশ যেকোনো বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য শতভাগ প্রস্তুত। আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানের। আশা করছি, আইসিসি আমাদের প্রমাণাদি পর্যালোচনা করে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত জানাবে।”আইসিসির পরবর্তী পদক্ষেপবিসিবির জমা দেওয়া নথিপত্র এখন আইসিসির নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ দল (Security Team) পর্যবেক্ষণ করবে। প্রয়োজনে তারা আবার সরেজমিনে ভেন্যু পরিদর্শন করতে বাংলাদেশে আসতে পারেন। তাদের সবুজ সংকেত পেলেই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলো বাংলাদেশে আয়োজনের চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে।ভক্ত ও দর্শকদের প্রতিক্রিয়াবাংলাদেশের সাধারণ ক্রিকেট ভক্তদের মধ্যে এ নিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষা বিরাজ করছে। তারা চান দেশের মাটিতেই খেলা হোক। মিরপুর এলাকায় এক ক্রিকেট অনুরাগী বলেন, “বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য নিরাপদ। বিসিবি যে ব্যবস্থা নিচ্ছে তাতে আমরা আশাবাদী যে খেলা ওপারেই (মাঠেই) হবে।”উপসংহারবিসিবির এই তড়িৎ পদক্ষেপ আইসিসির সাথে উত্তেজনা নিরসনে বড় ভূমিকা রাখবে। আইসিসি যদি এই প্রমাণাদিতে সন্তুষ্ট হয়, তবে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে আবার বিশ্ব ক্রিকেটের মিলনমেলা শুরু হবে। জাবারা নিউজ ২৪ এই ইস্যুর প্রতিটি খবরের ওপর কড়া নজর রাখছে।

________________________________________________

Jabara News 24 – সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদের অঙ্গীকারযোগাযোগ:📧 Email: info@jabaranews24.com🌐 Website: http://www.jabaranews24.com📱 Facebook: facebook.com/jabaranews24

সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর সহিংসতা: দেশজুড়ে চিরুনি অভিযান, গ্রেপ্তার আরও অনেকে

ঢাকা, ১০ জানুয়ারি ২০২৬ | Jabara News 24 বিশেষ প্রতিবেদকদেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি ও উপাসনালয়ে হামলার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সহিংসতার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নতুন করে আরও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের শনাক্ত করতে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযানপুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সহিংসতার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন থানায় এ পর্যন্ত একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে।নতুন গ্রেপ্তার: গত রাত থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও চট্টগ্রামসহ কয়েকটি জেলা থেকে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আটক করা হয়েছে।শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া: সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধীদের শনাক্ত করা হচ্ছে। জড়িতরা যে দলের বা মতেরই হোক না কেন, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে প্রশাসন।উপদ্রুত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাসহিংসতা প্রবণ এলাকাগুলোতে নতুন করে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পুলিশ ও র‍্যাবের পাশাপাশি বেশ কিছু স্পর্শকাতর স্থানে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।টহল জোরদার: বিশেষ করে রাতে ও ভোরে মন্দির এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত পাড়াগুলোতে নিয়মিত টহল দিচ্ছে যৌথ বাহিনী।আস্থার সংকট দূর: জেলা প্রশাসকরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করছেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে সাহস জোগাতে শান্তি সমাবেশের আয়োজন করছেন।প্রশাসনের হুঁশিয়ারিপুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাবারা নিউজ ২৪-কে জানান, “যারা পর্দার আড়ালে থেকে গুজব ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে উসকে দিচ্ছে, তাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাইবার ইউনিটগুলো ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।” তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া ও শান্তি কমিটিসহিংসতা কবলিত এলাকার সাধারণ মানুষ এই গণগ্রেপ্তারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তারা দ্রুত বিচারের দাবি তুলেছেন। অনেক এলাকায় স্থানীয় যুবক ও মুরুব্বিদের নিয়ে ‘সম্প্রীতি কমিটি’ গঠন করা হয়েছে, যারা নিজ উদ্যোগে পাড়া-মহল্লায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন।মানবাধিকার কর্মীদের বক্তব্যমানবাধিকার সংগঠনগুলো গ্রেপ্তারের বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও তারা জোর দিচ্ছেন স্বচ্ছ তদন্তের ওপর। তাদের মতে, প্রকৃত দোষীরা যাতে শাস্তির আওতায় আসে এবং নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।গুজব প্রতিরোধের ডাকপ্রশাসনের পক্ষ থেকে আবারও অনুরোধ করা হয়েছে, কেউ যেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উসকানিমূলক কোনো ছবি বা ভিডিও দেখে বিভ্রান্ত না হন। যেকোনো সন্দেহজনক গতিবিধি দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা অথবা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।উপসংহারসংখ্যালঘু নাগরিকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, দীর্ঘমেয়াদী শান্তির জন্য সামাজিক ঐক্যের বিকল্প নেই। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই পারে এই অস্থিরতা চিরতরে বন্ধ করতে। Jabara News 24 এই অভিযানের প্রতিটি খবরের ওপর কড়া নজর রাখছে।

_______________________________________________________________________

Jabara News 24 – সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদের অঙ্গীকার

যোগাযোগ:

📧 Email: info@jabaranews24.com

🌐 Website: www.jabaranews24.com

📱 Facebook: facebook.com/jabaranews24

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের নতুন মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা

ঢাকা, ৮ জানুয়ারি ২০২৬ | Jabara News 24 বিশেষ প্রতিবেদকদ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির মাঝেই এবার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম নতুন করে বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের নীতি-নির্ধারক মহল থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট বিতরণ সংস্থাগুলো মূল্য সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং ভর্তুকির চাপ কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এই সম্ভাব্য দাম বৃদ্ধি সাধারণ গ্রাহক ও শিল্প মালিকদের মনে নতুন উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।কেন এই মূল্য সমন্বয়ের আলোচনা?জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারকে বিশাল অংকের ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।ভর্তুকির চাপ: আইএমএফ (IMF) ও বিশ্বব্যাংকের ঋণের শর্ত অনুযায়ী জ্বালানি খাত থেকে ধীরে ধীরে ভর্তুকি কমিয়ে আনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।উৎপাদন খরচ: আমদানিকৃত এলএনজি (LNG) এবং ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ায় বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদনের খরচ আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। এই ঘাটতি মেটাতেই নতুন করে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।কত বাড়তে পারে দাম?যদিও এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি, তবে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার ভিত্তিতে জানা গেছে:বিদ্যুৎ: খুচরা ও পাইকারি উভয় পর্যায়ে ৫ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে।গ্যাস: বিশেষ করে শিল্প-কারখানা এবং বাণিজ্যিক সংযোগের ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। আবাসিক চুলায় ব্যবহারের ক্ষেত্রেও মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।বিপাকে শিল্প ও সাধারণ গ্রাহকবিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে উৎপাদন খাতে। শিল্প মালিকরা বলছেন, জ্বালানির দাম বাড়লে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়বে, যার ফলে বাজারে আবার দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।রাজধানীর এক গৃহিণী শামীমা আক্তার বলেন, “এমনিতেই চাল-ডাল কিনতে হিমশিম খাচ্ছি, তার ওপর যদি বিদ্যুৎ আর গ্যাসের বিল বাড়ে, তবে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।”বিইআরসি ও সরকারের অবস্থানবাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (BERC) সূত্র জানিয়েছে, তারা এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে নির্দেশ পেলে গণশুনানি বা নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে দাম পুনর্নির্ধারণ করা হতে পারে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হুট করে দাম না বাড়িয়ে সিস্টেম লস কমানো এবং অপচয় রোধে কঠোর হওয়া উচিত।জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগজ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদদের মতে, বারবার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানো মুদ্রাস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে। তারা পরামর্শ দিয়েছেন যে, জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা করে এবং বিকল্প জ্বালানির উৎস কাজে লাগিয়ে ভর্তুকির চাপ কমানো দরকার।চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কবে?আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখান থেকেই স্পষ্ট হবে যে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের নতুন দাম কবে থেকে কার্যকর হতে পারে। Jabara News 24 এই বিষয়ে প্রতিটি মুহূর্তের খবরের ওপর নজর রাখছে।উপসংহারবিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করা হলে সেটি দেশের অর্থনীতির প্রতিটি স্তরে প্রভাব ফেলবে। সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা এখন চেয়ে আছেন সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। সরকারের উচিত হবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান বিবেচনা করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া।